দুর্গাপুরে কোয়ার্টার আঙ্গিনায় পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি চাষে এসিল্যান্ডের চমক

77

নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, দুর্গাপুর(নেত্রকোনা):

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টার আঙ্গিনায় পরিত্যক্ত জায়গায় চাষ করা হয়েছে বিষমুক্ত প্রায় ২০ রকমের শাক-সবজি। ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। পরিত্যক্ত জায়গায় ভালো ফলন ও সবুজ শ্যামল মনোরম পরিবেশ তৈরি করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমন উদ্যোগে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। আর চাষকৃত সবজি দিয়ে পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে উপহারস্বরুপ বিতরণও করছেন।

এ নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,সরকারি অফিসার্স কোয়াটার আঙিনায় বিভিন্ন অংশে পতিত জায়গায় জৈবসার ব্যবহার করে বিষমুক্ত প্রায় ২০ রকমের সবজি চাষ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। তার মধ্যে রয়েছে,পাতাকপি,ফুলকপি,টমেটো,চিচিঙ্গা,ঝিংগা,চালকুমড়া,ঢেঁড়স,বেগুন,পেঁপে,মরিচ,শসা,ডাটা,লাউ,করলা। শাকের মধ্যে রয়েছে পুই শাক,মুলা শাক,পাট শাক,কলমিশাক,লাল শাকসহ নানা রকমের শাক-সবজি।

সরকারি এক কর্মকর্তা বলেন,কোয়ার্টার এর জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরেই পরিত্যক্ত ছিল। কিন্তু সেই পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি বাগান করার কারণে কোয়াটারের রূপ বদলে গেছে। এমন উদ্যোগে পরিত্যক্ত জমিতে চাষাবাদে উৎসাহ জোগাবে।

সবজি চাষ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন,দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনা অনুযায়ী কোয়ার্টার আঙিনার পরিত্যক্ত জায়গাগুলোতে সবজি চাষ করে সাফল্য পেয়েছি। কৃষি অফিসের পরামর্শে নিজের হাতে উৎপাদিত সবজি দিয়ে পরিবারে দৈনিক চাহিদা মেটানোর যাচ্ছে। বিষমুক্ত এসব সবজি বাজারের তুলনায় অনেক ভাল। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামান্যতম সময় পেলেই ছুটে যাই বাগানে। তিনি আরও বলেন,আন্তরিকতা থাকলে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি সব অফিস ও ঘর-বাড়ির পরিত্যক্ত জায়গায় এমন সবজি বাগান গড়ে তোলা সম্ভব। তাই সকল অফিস ও বসতবাড়ির আঙিনায় পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি বা ফল চাষের আহŸান জানান তিনি।