ঠাকুরগাঁওয়ে ছোট নদী খাল ও জলাশয় পুন: খনন কাজের উদ্বোধন করেন – রমেশ চন্দ্র সেন এমপি

72

মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,, ঠাকুরগাঁও জেলায় অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুন: খনন (১ম পর্যায়) কাজের উদ্বোধন করা হয়। ৮ জানুয়ারি বুধবার সদর উপজেলার শুক নদী ও টাঙ্গন নদীর পুনঃ খণন কাজের উদ্বোধন করেন আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ এর সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। -ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে সদর উপজেলার বুড়িবাঁধে শুক নদী (রুহিয়া থেকে নারগুন-২৪ কিলোমিটার) নদীর পুনঃ খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি রমেশ চন্দ্র সেন, বিশেষ অতিথি বাপাউবো রংপুর অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তাহের মো: আব্দুল্লাহ, জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন, সাধারন সম্পাদক দীপক কুমার রায়, সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, ঠাকুরগাঁও প্রেস কাবের সভাপতি মনসুর আলী, ঠাকুরগাঁও পাউবোর নিবাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

অপরদিকে পৌর শহরের টাঙ্গন নদীর তীরে অপরাজেয় ৭১ প্রাঙ্গনে (টাঙ্গন ব্যারেজ হতে নারগুন পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার) নদী পুন: খনন কাজেরও উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি রমেশ চন্দ্র সেন।“শেখ হাসিনার ইনোভেশন ড্রেজিং করে নদী শাসন, শেখ হাসিনার অবদান শতবর্ষের ডেল্টা প্লান” এই শ্লোগান উল্লেখ করে প্রধান অতিথি রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল নদী পুনঃ খননের উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। এতে করে পুরোনো সব নদীগুলো খননের মাধ্যমে নব্যতা ফিরে পাবে। ভু-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমাতে ভু-গর্ভের উপরের পানিকে প্রক্রিয়া করে কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই ভুমিকম্প সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে বাচানো যাবে।তিনি আরও বলেন, নদী খননের কাজ তদারকি করার দায়িত্ব জনসাধারণের। তারা নিজেরাই কাজের খোজ খবর রেখে ভালমত কাজ করে নিবে। তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের বর্ণনা দিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকলেরর সহযোগিতা কামনা করেন।—উল্লেখ্য, সদর উপজেলার বুড়িবাঁধে (রুহিয়া থেকে নারগুন পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার) নদী খনন কাজের জন্য ৭ কোটি ৬৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার প্রকল্প এবং (টাঙ্গন ব্যারেজ থেকে নারগুন পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার) কাজের জন্য ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকার প্রকল্প গ্রহন করা হয়। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠাকুরগাঁও পানি ।