ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে জমি দখল নিয়ে উত্তেজনা

70

মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে জমি দখল নিয়ে ২ পক্ষের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, ইউনিয়ন পরিষদ ও থানায় বৈঠক হলেও সমাধা হয়নি। এ বিষয়ে জমির রেকর্ডীয় মালিকের মৃত্যুর পরে তার ওয়ারিশদের কাছ থকে জমি ক্রয়কারী সচীন্দ্র নাথ বিভিন্ন দপ্তর অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর সাসলা পিয়ালা মৌজার ৬৯২ নং- সিএস খতিয়ানে মোট ১৪ দাগে হরদেবু গং ৩ একর ২ শতক জমির মালিকানায় ছিলেন। পরবর্তিতে একই মৌজার ৬৮৬ নং এস,এ খতিয়ানে হরদেবু গং এর মধ্যে কয়েকজন মৃতবরণ করলে তাদের ওয়ারিশ হিসেবে বিশ্বনাথ বর্মন, মজিন্দ্র নাথ বর্মন, গবিন্দ্র বর্মন ও বংশীয় না হয়েও তিলক বর্মনের ছেলে নলিনী বর্মনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তিতে সি,এস ও এস,এ রেকর্ডীয় মালিক বিশ্বনাথের ছেলে সন্তোষের কাছ থেকে শচিন্দ্র নাথ রাস্তা করার জন্য ২৫ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু এ অবস্থায় একই এলকার অরুন চন্দ্র রায় এস,এ রেকর্ডীয় নলিনি বর্মনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছে মর্মে দাবি করে ভোগ দখলে থাকলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। শচিন্দ্র নাথ বলেন, আমি এস,এ ও সি,এস খতিয়ান ভুক্ত মূল মালিকদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করি। কিন্তু প্রতিপক্ষরা নলিনী বর্মনের কাছ থেকে ক্রয় করেছে বলে জমি জোর পূর্বক ভোগ দখলে রয়েছেন। এ বিষয়ে সি,এস খতিয়ানে নাম না থাকলেও এস,এ রেকর্ড অনুযায়ী নলিনী বর্মন কতটুকু জমি পাবেন ও তার নাম কিভাবে অন্তভুঁক্ত হয়েছে এবং প্রতিপক্ষদের নিকট কতটুকু জমি তিনি হস্তান্তর করেছেন সে বিষয়ে কাগজপত্র পর্যালোচনার জন্য প্রথমে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, ইউনিয়ন পরিষদ এমনকি ভুল্লি থানায় এ বিষয়ে একাধিকবার শালিস-বৈঠক হলেও তারা এস,এ রেকর্ড ব্যাতীত নলিনী বর্মনের কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এ বিষয়ে অরুন চন্দ্র রায় ও তার ভাই দুর্জয় বলেন, আমাদের জমির মালিকানা সঠিক রয়েছে। উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পর্যালোচনার জন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই শচিন্দ্র নাথ উল্লেখিত পক্ষের কাছ থেকে জমি ক্রয় করলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা করা রয়েছে, আমরা সেখানেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করবো।