চুয়েটে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

80

ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ১৩ জানুয়ারি (সোমবার), ২০২০ খ্রি. বেলা ১২.৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাবা নাহিদা সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসেন, হল প্রভোস্টগণের পক্ষে শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, শিক্ষক সমিতির পক্ষে সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম ও কর্মচারী সমিতির পক্ষে জনাব মো. আব্দুল আল হান্নান। অনুষ্ঠানের বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করেন সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ১০৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও সেই স্বাধীনতার পূর্ণতা দেশবাসী পায় নি। কারণ স্বাধীনতার সেই স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু তখন ছিলেন দেশের বাইরে, কারাগারে অন্তরীণ। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি যখন বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসার পরই জনসাধারণের মাঝে প্রাণের জোয়ার ফিরে আসে। তখনই মূলত বাংলার বুকে স্বাধীনতার পূর্ণতা আসে। বঙ্গবন্ধু এমন একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও বিচক্ষণ নেতা ছিলেন যে, সমসাময়িক সকল বিশ্বনেতারা তাঁকে একজন ভিশনারী লিডার হিসেবে সমীহ করে গেছেন।