কিশোরগঞ্জে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী গ্রেফতার

20

প্রেস রিলিজ:

র‌্যাব-১৪এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ কর্তৃক যৌথ অভিযানে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী নারায়ণগঞ্জ হইতে গ্রেফতার।

ভিকটিম নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানাধীন মিসফাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার কুদুরী শাখায় পড়াশুনা করে আসছিল। মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার পথে বিবাদী মাহাবুবুর রহমান(২৬) ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব দিত। একপর্যায়ে গত ২৮/০১/২০২৪খ্রি. বেলা অনুমান ০৯:২০ ঘটিকার সময় নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানাধীন পুকুরিয়াকান্দা সাকিনস্থ ভিকটিমের বাসা থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার রাস্তা হইতে বিবাদী মাহাবুবুর রহমান ও তার সহযোগী ২/৩জন বিবাদীর সহায়তায় ভিকটিমকে অপহরণ করে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন এমএবি ইটের ভাটা এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে ভিকটিমকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানায় ০১টি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। যা নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানার মামলা নং-১১/৬৯, তারিখ-১৩/০৩/২০২৪, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০(সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৯(১)/৩০। বর্ণিত বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচারিত হলে দেশব্যাপীব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মামলা হওয়ার পর এজাহারনামীয় প্রধান আসামী মাহাবুবুর রহমান(২৬) আটক থেকে বাঁচতে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। উক্ত আসামীকে আইনেরআওতায়নিয়েআসতের‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারীবৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় পলাতক থাকা উক্ত মামলার প্রধান আসামীর অবস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামীর অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প ও র‌্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল গত ১৬/০৪/২০২৪খ্রি. তারিখ ১৯.২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন বেলদি বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার এজাহারনামীয় প্রধান পলাতক আসামী মাহবুবুর রহমান(২৬), পিতা- মোঃ ফুল মিয়া, সাং-লেটিরকান্দা, থানা- পূর্বধলা, জেলা-নেত্রকোনা’কে আটক করে। ধর্ষণের মতজঘন্য ঘটনারবিরুদ্ধে র‌্যাবেরঅভিযানভবিষৎ এ অব্যাহত থাকবে।
৪। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও অনুসন্ধানে ধৃত আসামী উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

উক্ত বিষয়ে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।