রাঙ্গাবালীর মানচিত্র থেকে বিলীন হচ্ছে চালিতাবুনিয়া

222

মাহামুদ হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতাঃ সাগর কন্যা খ্যাত পটুয়াখালী জেলার বিছিন্ন দ্বীপ রাঙ্গাবালী উপজেলা। রাঙ্গাবালী উপজেলার বিছিন্ন দ্বীপ চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন।এখানে প্রায় বিশ হাজার মানুষের বসবাস। আগুনমূখা নদীর ¯্রােত বাড়ার সঙ্গে প্রতিনিয়ত ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়ছে।সেই সঙ্গে কমছে ভূখন্ডের আয়তন।ভিটেবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে কেউ হয়েছে ভ’মিহীন কেউ আবার নিঃস্ব।এ প্রতিক’লতা কাটিয়ে তারা যখন ঘুরে দাড়াঁনোর চেষ্টা করে তখন সব হারিয়ে হচ্ছে সর্বশান্ত।এর মধ্যে যারা টিকে আছে ,বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে যাওয়ায় জোয়ারে ডুবছে আর ভাটায় ভাসছে । প্রতিনিয়ত তাদের আর্তনাদে আকাশ বাতাস ভাড়ি হয়ে রয়েছে । অথচ তাদের রক্ষায় কেউ এগিয়ে আসছে না।চালিতাবুনিয়া উত্তরা চালিতাবুনিয়া,মধ্য চালিতাবুনিয়া,বিবির হাওলা,গোলবুনিয়ায় গ্রামে এমন চিত্র দেখা গিয়াছে।প্রচুর জমি জমার মালিক এক রাতেই হয়েগেছে দিনমজুর।এদের মধ্যে কেউ কেউ আশ্রায় নিয়েছেনে রাস্তার উপরে কেউ আবার রাস্তার পাশে ডোবার উপরে মাচা পেতে ।একটি মাত্র আশ্রায় কেন্দ্র আগুন মূখা নদীর গর্ভে বিলীন হয়েগেছে।দূর্যগপুর্ন আবহাওয়ায় মাথা গোজার ঠাই হয়না তাদরে।যাদের জমি আছে বেড়িবাঁধ না থাকায় তাদের নাই ফসল । মরণ ছাড়া কোন উপায় নাই তাদের ।তাই বেড়িবাঁধ নির্মাণও টেকসই ব্লক বসিয়ে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নকে রক্ষা করার জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।

মো.সরোয়র হোসেন বলেন,আমাদের বাড়ি ঘর সব নদীতে ভেঙ্গে নিয়ে গেছে এখন আমাদের থাকার মত কোন জায়গা নেই।বেড়িবাঁধ না থাকার কারনে জমিতে ফসল হচ্ছে না।তাই আমাদের মরণ ছাড়া কোন উপায় নাই।

চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.জাহিদ হাওলাদার বলেন,চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে প্রায় বিশ হাজার মানুষের বসবাস।ইতিমধ্য ইউনিয়নের অনেক অংশ আগুনমূখা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ।তাই আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সকলের কাছে অনুরোধ করছি যাতে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন কে বাঁচানো হয় নদী ভাঙ্গন থেকে ।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া পানি উন্নায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো.ওয়ালিউজ্জামান বলেন,চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের প্রায় চার কিলমিটার জায়গা র্দীঘ দিন ধরে খোলা আবস্থায় আছে।এখানে বেড়ি বাঁধ সহ দুইটি স্লুইজ গেট নির্মাণ প্রয়োজন। এটা করতে প্রায় ২৫ কোটি টাকা দরকার।ইনটারেক্ট থেকে এত টাকা দেয়া সম্ভাব হয় নাই তাই আমাকে ডিপিপি করতে বলা হয়েছে ডিপিপি পাস হলে স্থায়ী ভাবে টেকসই কাজ করতে পারবো।