বান্দরবানে ওএলএইচএফ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপিত

44

বান্দরবান: বান্দরবানে ‘বৈশ্বিক কর্মে যুবশক্তি’ এ বিষয়কে প্রতিপাদ্য করে আওয়ার লাইভস্, আওয়ার হেলথ্, আওয়ার ফিউচারস্ (ওএলএইচএফ) প্রকল্পের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে বান্দরবান সদর উপজেলার লাইমিপাড়াস্থ চিম্বুক জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রাউস’র প্রকল্প সমন্বয়কারী সবুজ চাকমা’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন একেএস প্রকল্প সমন্বয়কারী ম্যামিসিং মারমা। সভায় আন্তর্জাতিক যুব দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের মাস্টার ট্রেইনার সুমিত বণিক। অনন্যা কল্যাণ সংগঠন (একেএস) এর নির্বাহী পরিচালক ডনাই প্রু নেলি’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নু প্রু চিং মার্মা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাড়া কার্বারি হাউলিয়ান বম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাহুল বড়ুয়া ছোটন, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক কৌশিক দাশ ও তহজিংডং এর প্রকল্প সমন্বয়কারী রমেশ চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যাসহ প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মীগণ এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। 

আলোচনায় বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক যুব দিবসের উদ্দেশ্য হলো যুবদের কথা, কাজ, উদ্যোগগুলোর পাশাপাশি তাদের অর্থবহ সম্পৃক্ততা ও সার্বজনীনতা সবার কাছে তুলে ধরা এবং সেগুলোকে স্বীকৃতি দেয়া। আর এ কাজটিকে বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের সবাইকে যুবদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা বাড়াতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। বর্তমান করোনা কালেও যুবদের সুরক্ষা ও মানবিককাজে তাদের অংশগ্রহণকে আরো উৎসাহিত করতে হবে। তাছাড়া মেয়ে ও নারীরা আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। খেলাধুলার ফলে শরীর ও মন উভয়ই ভালো থাকে। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও যেকোন ধরণের খেলায় নিজেদের পারদর্শী করে তুলতে পারে, সেজন্য সমাজে বিদ্যমান কুসংস্কারকে দূর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 

প্রীতি ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করেন লাইমি পাড়া গার্লস ক্লাবের কিশোরী সদস্যরা। প্রীতি ফুটবল খেলায় নীল দল ১-০ গোলে লাল দলে পরাজিত করে। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণকারী দুইদলকে পুরস্কার প্রদান করেন। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন তহজিংডং এর মনিটরিং এর নু হাই মারমা। 

ভোরের বার্তা/এম, এস