২২ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের জেলেদের ব্যস্ততা

43

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)  প্রতিনিধিঃ   ইলিশ প্রজন্মন মৌসুমে ২২ দিন নিষেধাজ্ঞা  থাকায়।  মাছ ধরার ওপর থেকে  আজ  রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা । আর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেই ইলিশ শিকারে ফের ব্যস্ত হয়ে পড়বে রাঙ্গাবালী উপজেলার  বিভিন্ন স্তরের জেলেরা। এ কারণে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখছেন তারা। আজ মধ্যরাত থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যের মহাউৎসবে আবারও মেতে উঠবেন হাজারো জেলেরা।

জানা গেছে, দীর্ঘ ২১ দিন অলস সময় পাড় করে আবারও ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন উপকূলের জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে কেউ কেউ আবার রাতেই মাছ ধরার উদ্দেশ্যে  বেরিয়ে পড়বেন। কারও কারও আবার রাত পোহানোর পরই শুরু হবে ইলিশ ধরার মহাউৎসব। এর আগে গত ৯ অক্টোবর থেকে টানা ২১ দিন আগুনমুখায় ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন মৎস্যঘাট ‘জেলে পল্লী’তে গিয়ে দেখা যায়, জেলেদের মধ্যে লেগে গেছে ব্যস্ততা। ইতিমধ্যেই বাজারসহ আনুসাঙ্গীক কাজ সম্পন্ন শেষ করেছেন। আজ মধ্যরাত হলেই তারা ট্রলারে বরফ ভরে নদীতে যাত্রা শুরু করবেন বলে যানা যায়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার শেষ দিনেই নদীতে যাওয়ার জন্য মালিকানাধীন   ট্রলারে জাল উঠাচ্ছেন জেলেরা। একইসঙ্গে বাজার করে ট্রলারের নির্ধারিত জায়গায় সংরক্ষণ করছেন তারা। কেউ আবার উপজেলাধীন মৎস্য ঘাট গুলো থেকে পাইকারি মুদি দোকানে  নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

ছোটবাইশদিয়া  ইউনিয়নের ট্রলার মালিক মো.রফিক প্যাদা  বলেন, ‘১০ দিনের জন্য বাজার করা হয়েছে। রাত ১২টার পর বরফ ভরে জোয়ারেই ট্রলার ছাড়বো।’

এবিষয়ে কথা বলে যানা যায়।রাঙ্গাবালী উপজেলা  মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুলইসলাম   বলেন, ‘বুধবার মধ্যরাত থেকে মাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে।এতে রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন স্তরের   জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে নৌকা ও জাল মেরামত কাজে ব্যস্ত ছিলেন। আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। ট্রলার মালিকসহ জেলেদের আন্তরিক সহযোগিতায় এবারের অবরোধ সফল হয়েছে বলে আমি মনে করি।