কবিতা লেখার প্ল্যাটফর্ম

32

লিখেছেন মোঃ মুসা, চরফ্যাশন ভোলা: আমরা কবিতা নিয়ে কথা বলি , বাংলা সাহিত্যে নাটক গল্প কবিতা এবং প্রবন্ধ। নাটক লেখার যেমনি স্ক্রিপ্ট আছে। গল্প লেখার জন্য নির্দিষ্ট কোন প্ল্যাটফর্ম আছে। প্রবন্ধ তাতে বটে। কবিতার জন্য অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট গ্রামার রুল আছে। 1907 সালে চর্যাপদ আবিষ্কারের সময়। চর্যাপদ এর অক্ষর এবং কবিতা গানের কলি। অবশ্যই মাত্রাবৃত্ত অক্ষরবৃত্ত ছন্দে ছিল। তারপরে বাংলা সাহিত্যকে প্রসারিত করে, অবশ্যই ছন্দের একটি কবিতার প্ল্যাটফর্ম আছে।আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গদ্যছন্দ আবিষ্কার করেছেন। তিনি সেই ছন্দের কবিতা আবিষ্কার করে শেষ পর্যায়ে যখন কিছু কবিতা লিখছেন তখন, রির্সাচ এবং গবেষণায় জানা যায়। এই ছন্দের প্রতি তার নিজের দ্বিধাবোধ সৃষ্টি হয়েছিল। উচ্চারণের পার্থক্য সৃষ্টি হয়। যেমন উদাহরণ দেই লাইন বদ্ব জাতীয় সংগীত পড়া, এবং লাইন বদ্ধ হীন জাতীয় সংগীত পড়া মাঠে। কোথায় সুশৃংখল সুবিন্যাস পার্থক্য সৃষ্টি হয় এবং তা সুন্দর হয় না।মধ্যযুগীয় এবং আদি যুগে কবিতা লেখার চিন্তা সবাই করতে পারতেন না, ছন্দের জ্ঞান অর্জন করতে পারতেন। তারাই কেবল কবিতা লেখার জন্য চেষ্টা করতেন। এবং তার কবিতার ভিতর শৈল্পিক ভাবনা তৈরীর জন্য চেষ্টা করতেন।আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ গদ্যছন্দ তার কোন আবিষ্কারের পরে, সাহিত্য কবিতা নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু হয়ে গেছে। যেকোনো উচ্চবিলাসী মন এবং কিছু আবেগ মিশ্রিত কিছু কথার অর্থ সৃষ্টি করে কেউ বলতে চান একটি কবিতা লিখেছি। মনগড়া কোন কিছু সুন্দর সৃষ্টি করে কোন নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব না। বইমেলায় তো অনেক বই প্রকাশ হয় অনেক নতুন কবি আত্মপ্রকাশ পেয়ে থাকেন। কিছুদিন পর দেখা যায়। তিনি দশ থেকে 50 টা বই ছাপিয়ে ফেলেছেন কবিতা। এবং অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এমনও হতে পারে বাংলা একাডেমীর বিচারকগণ তার বইগুলো প্রথম পৃষ্ঠা উল্টানোর পর দ্বিতীয় পৃষ্ঠার পড়েন নাই। এত বই ছাপানোর পরেও হারিয়ে যান একজন লেখক।তাহলে আসলে কবিতা কি যারা আসলেই কবিতা চর্চা করতে চান অবশ্যই বড়দের কবিতা পড়তে হবে কবিতার জন্য সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে শৈল্পিক ভাবনা থাকতে হবে কবিতার অর্থ থাকতে হবে!! ধন্যবাদ যারা কবিতা লিখতে চান অবশ্যই আপনার কবিতা সুন্দর হোক এবং সঠিক ধারায় বাংলার প্রকৃতির অপরূপ চর্চা বিন্যাস হোক।