কটিয়াদীতে ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ: দোকান ভাংচুর ও লুটপাট

29

মাইনুল হক মেনু, স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মো: বাচ্চু মিয়া (৪০) নামের এক মুদির দোকান ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলা, দোকান লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এতে বাচ্চু মিয়া ও শাহআলম (৩২) নামের ২ ব্যক্তি আহত হয়েছে। তার মধ্যে বাচ্চু মিয়ার অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানাগেছে। গত বুধবার উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শিমুহা বাজারে এ ঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মো: বাবুল মিয়া বাদী হয়ে উপজেলার একই ইউনিয়নের রোকন মিয়াকে প্রধান আসামী করে ১০জনের বিরুদ্ধে গত সোমবার কটিয়াদী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার বাচ্চু মিয়া উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের আ: মান্নানের ছেলে। মামলার অন্য আসামীরা হলো, উপজেলার ফজলু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৫), আ: মোতালিবের ছেলে ফালু মিয়া (৪৫), ছিদ্দিক মিয়ার ছেলে বিল্লাল মিয়া (৩৮), রোকন মিয়ার ছেলে শাহজাহান (৩০), রোকন মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন (২৫), খুর্শিদ মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০), সাফত আলীর ছেলে ফজলু মিয়া (৫০), রোকন মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া (২০), জনাব আলীর ছেলে রসুর মিয়া (৩৫)। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার বাচ্চু মিয়ার সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ীর রোকন মিয়ার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত ২১ অক্টোবর ২০২০ইং তারিখ দু’পক্ষের মাঝে কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাজারের লোকজন বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার পর বাচ্চু মিয়ার লোকজন বাড়িতে চলে যায়। তারই কিছুক্ষণ পর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী রোকন মিয়ার লোক জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে (রামদা লোহার রড, দা, লাঠি, হকস্টীক, শাবল) বাচ্চু মিয়ার উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে তার দোকান লুট, ভাংচুর করে অর্ধলক্ষ টাকা ও তার স্ত্রীর ৬০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং বাচ্চু মিয়াকে মারাত্মক ভাবে জখম করে ফেলে রেখে যায়। তার ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে স্থানান্তর করে। হামলার স্বীকার বাচ্চু মিয়ার ছেলের অভিযোগ, আমরা গরীব মানুষ। এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহলের লোকজন প্রতিপক্ষের যোগসাজসে আমার বাবার উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। বাবার অবস্থার অবনতি হলে আমরা ময়মনসিংহ থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে । কিন্তু বর্তমানে তার চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে আমরা তাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। এখন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আমরা এই হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্ট্রান্তমূলক বিচার চাই।