ক্ষমতায় এসে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

27

অনলাইন ডেস্ক: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করে বলেন, । তাদের রাজনীতি ঘরে বসার রাজনীতি। তারা আন্দোলনে ব্যর্থ।

(২০ নভেম্বর) শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের বলেন, আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপির নেতারা ঘরে বসে থাকেন, কর্মীদের পাশে দাঁড়ান না-এজন্য কোনো কর্মী আন্দোলনে সাড়া দেয় না। কিন্তু আমরা অনেক নির্যাতন সহ্য করে রাজনীতি করেছি।দলীয় চেয়ারপার্সনের মুক্তির দাবিতে বিএনপি কোনো বিক্ষোভই দেখাতে পারেনি। তারা নির্বাচন নিয়ে আন্দোলনে ব্যর্থ। তাদের রাজনীতি ঘরে বসার রাজনীতি।


তিনি বলেন, নির্বাচনে অনীহা থাকলে এত ভোট পড়তো না। শুধুমাত্র ঢাকার একটি আসনের উপ-নির্বাচনে একটু কম ভোট পড়েছে। যারা গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারী করেন, তারা গণতন্ত্রের ছবক দেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত হৈচৈ করে।যারা গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা দেশে রাতের বেলা কারফিউ দিয়ে ’৯৬ সালে প্রহসনের নির্বাচন করেন। অথচ তারা এখন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সম্প্রতি কয়েকটি উপ-নির্বাচনেও ৫০-৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। কিন্তু নির্বাচনের দিন বলে, এজেন্টকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, পরে নির্বাচন বর্জন করে। কোথায় এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে, পারলে প্রমাণ দিন। দেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন রয়েছে। বিএনপিকে জেতানো যেন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আজ আইনের শাসনের কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে। বিচার নাকি পায় না। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের।

একুশে আগস্ট হামলাও বিএনপি করেছে। এরপরও জননেত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার বাসায় যান তার ছেলের মৃত্যুর পর। কিন্তু তারা কী আচরণ করলো দেশবাসী দেখেছে।
মির্জা ফখরুলের অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতির জন্য আওয়ামী লীগের লোকজনকেও ছাড় দিচ্ছেন না বিচারকরা। দলের অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। বিএনপি আমলে একজনকেও শাস্তি দেয়নি। অপরাধ করে বিএনপি আত্মরক্ষার ঢাল হিসেবে এসব অভিযোগ করে।


ওবায়দুল কাদের আরো বলেন,  তবে আমরা এ ব্যাপারে সচেতন। অনুপ্রবেশকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কার্পণ্য করি না। আওয়ামী লীগ সেই সুযোগ দেয় না। অতীতে ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে কঠোর। অপরাধীদের কোনো দল নেই। দল কখনো ঢাল হাল হতে পারে না। আমরা ব্যবস্থা নেই।