ঠাকুরগাঁওয়ে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র বেচাকেনা

11

মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলায় কয়েকদিনের শীত ও কিছুটা কুয়াশা পড়তে শুরু করায় প্রতিনিয়ত মানুষ ভিড় জমাচ্ছে শীতের গরম কাপড় কেনার জন্য ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকানে। বিশেষভাবে ল²ণীয় মৌসুমভিত্তিক দোকানগুলোতে শীতের কাপড় কেনাবেচা পুরোদমে চলছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় বেশকয়েক দিন থেকে শীত পড়তে শুরু করায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব দোকানে বিভিন্ন মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দিনে রোদ হলেও সন্ধ্যায় ও ভোর বেলায় হালকা ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব। এর মধ্যেই ঠাকুরগাঁও জেলায় উষ্ণ কাপড়ের জন্য স্বচ্ছল ক্রেতারা যেমন মার্কেটের দোকানে যাচ্ছেন, তেমনি স্বল্প আয়ের মানুষেরাও ভিড় করছেন পুরনো শীতবস্ত্রের অস্থায়ী দোকানগুলোতে। ক্রমেই ঠাকুরগাঁও জেলায় জমে উঠছে পুরোনো শীতবস্ত্রের বিভিন্ন  বাজার। ২১ নভেম্বর শনিবার বিকালে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও অডিটোরিয়াম বিডি হলের সামনে অস্থায়ী ভাবে গড়ে ওঠা দোকানগুলোতে শীতবস্ত্র বিক্রয় করা হচ্ছে। নিম্নবিত্তদের পাশাপাশি উচ্চবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা ও পোশাক কিনছেন এসব দোকান থেকে। ক্রেতারা জানান, শীত শুরু হওয়ায় তারা কাপড় নিচ্ছেন। মার্কেটের থেকে এসব দোকানে কমদামে কাপড় পাওয়া যায় কিন্তু গত বারের তুলনায় এবার এসব দোকানে দাম বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিক্রেতারা বলেন, কয়েক দিন ধরেই প্রায় সব দোকানে কম-বেশি শীতের কাপড় কেনাকাটা শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাসের জন্য বিদেশ থেকে পুরাতন কাপড় দেশে আসছে না। গুদামে কয়েক বছর আগের মজুত করা কিছু কাপড় নিয়েই দোকান চালু করছে ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে অডিটোরিয়াম বিডি হলের সামনে অস্থায়ী ভাবে গড়ে ওঠা কয়েকজন দোকানদার বলেন, এবার করোনাভাইরাসের কারণে কালিবাড়ির কাঁচাবাজার ও মাছের বাজার ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বড় মাঠ) বসায় তারা ঐ স্থানে আর দোকান  করতে পারছেন না। রাস্তার ধারে ধুলো-বালি দিয়ে কাপড় নষ্ট হয়ে যায় ও রাস্তার ধারে ঝুঁকি নিয়ে গ্রাহকদের কাপড় কিনতে সমস্যা হচ্ছে। দোকান গুলো নির্দিষ্ট স্থানে বসার ব্যবস্থা করে দিলে তাদের জন্য ভালো হয়। বর্তমানে একটু বেচাকেনা কম হলেও ভালোভাবে শীত শুরু হলে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।