দেশের পিয়াজ পুরোদমে বাজারে আসবে আগামী মার্চ মাসে: বাণিজ্যমন্ত্রী

38

অনলাইন ডেস্ক: দেশের পিয়াজ পুরোদমে বাজারে আসবে আগামী মার্চ মাসে আসবে বলে জানিয়েছেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। নতুন আমদানির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। পূর্বে এলসি করা পিয়াজগুলো এখন দেশে প্রবেশ করছে। বর্তমান আমদানি মূল্য প্রতি কেজি প্রায় ৩৯ টাকা। পিয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়েও চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এ বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হবে। রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন,  কোন অসাধু ব্যবসায়ীকে সুযোগ নিতে দেয়া হবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পিয়াজ আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না। বর্তমানে দেশে ৮-৯ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজের ঘাটতি রয়েছে। সরকার পিয়াজ উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

টিপু মুনশি বলেন, দেশে পিয়াজের উৎপাদন বাড়ছে। আশা করা যায় আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশে পিয়াজ উৎপাদনে স্বয়ং সম্পন্ন হবে। এ বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। ভারত তাদের সুবিধা মত পিয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করে এবং রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। পিয়াজ আমদানি নির্ভর না থেকে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উন্নতমানের বিজ ব্যবহার করে এবং উৎপাদনকারীদের উৎসাহ প্রদান করে দ্রুত পিয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ৪-৫ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজ হিমাগারে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। এছাড়া ভরা মৌসুমে পিয়াজ বাউডার বানিয়ে বাজারজাত করা। বাজারে আলুর দর নেমে এসেছে। আলুর দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবি সাশ্রয়মূল্যে বাজারে আলু বিক্রয় করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলুর মূল্য এখন স্বাভাবিক। ভোজ্য তেলের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে।  এটি একটি আমদানি নির্ভর পণ্য। সে কারণেই বাংলাদেশের সাময়িক প্রভাব পরেছে। তবে অসৎ উপায়ে যাতে পণ্যের মূল্য কেউ বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে। এ মহুর্তে আমাদের চালের মজুত কিছুটা কম রয়েছে। সে জন্য সরকার চাউল আমদানি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে চাল আমদানি শুরু হয়েছে।