এমপি লিটন হত্যা মামলায় জাতীয় পার্টির সাবেক এমপিসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ

36

এ কে এম শামছুল হক, সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা ) প্রতিনিধি: বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর গাইবান্ধা-১(সুন্দরগঞ্জ) আসনের আ’লীগ দলীয় এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সাত আসামীর ফাসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহঃস্পতিবার ২৮ নভেম্বর দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জর্জ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক। ফাসির দন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মহাজোট সমর্থিত জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি কর্নেল অবসর প্রাপ্ত ডাঃ আব্দুল কাদের খান, তার ভাতিজা মেহেদী হাসান, পিএস শামচ্ছুসজোহা, গাড়ী চালক আব্দুল হান্নান, ডিশ ব্যবসায়ী শাহীন, রানা ও চন্দন কুমার রায়।

এদের মধ্যে চন্দন কুমার এখনও পলাতক রয়েছে। অন্য আসামীদের মধ্যে আঃ কাদের খান, শামচ্ছুসজোহা, হান্নান, মেহেদী, শাহীন ও রানা জেলা কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে আসামী সবলু চন্দ্র কসাই জেল হাজতে মারা যান। আসামীদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের শাহাবাজ গ্রামের মাষ্টারপাড়াস্থ নিজ বাড়ীতে দূবর্ৃৃত্তের গুলিতে নিহত হন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এঘটনায় নিহত এমপি লিটনের ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদি হয়ে ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার বাদি ফাহমিদা বুলবুল কাকলী, এমপি লিটনের স্ত্রী সহ পরিবারের সবাই এ রায়ে সš‘িষ্ট প্রকাশ করে দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানান। এদিকে রায় ঘোষনাকে কেন্দ্র করে সুন্দরগঞ্জ থেকে হাজার হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতা আদালত চত্বরে জড়ো হন। সুন্দরগঞ্জ আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক টিআইএম মকবুল হোসেন প্রামাণিক, যুগ্ন আহ্বায়ক ও লিটনের বড় বোন আফরুজা বারী, যুগ্ন আহ্বায়ক রেজাউল আলম রেজা ও পৌর মেয়র আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা আ’লীগের উপদেষ্টা সাজেদুল ইসলাম সহ স্থানীয় যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, তাঁতিলীগ, শ্রমিক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার এমদাদুল হক বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ড সহ নেতাকর্মীরা এ রায়কে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। রায়কে কেন্দ্র করে বাদি ও আসামীদের বাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।