রাঙ্গাবালীতে ব্রীজ এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে

318

মাহামুদ হাসান,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের পূর্ব চরমোন্তাজ গ্রামের মন্ডলের খালের উপর অবস্থিত এ আয়রন ব্রীজটি যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। এলাকাবাসী জানান,ব্রীজটির স্লিপার না থাকায় দূর্ভোগ পোহাচ্ছে ওই এলাকার হাজারো মানুষসহ, কোমলমতী শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়,পূর্ব চরমোনন্তাজ ও টোং চর গ্রামের বাসিন্দাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার  প্রধান সড়কে আসার একমাত্র ভরসা এ ব্রীজটি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত ব্রীজটি দিয়ে  চরমোন্তাজ সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসা,ও চরমোনন্তাজ এ ছাত্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  শিক্ষার্থীরা চরমোন্তাজ বাজারে আশা-যাওয়া  করে। সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রীজটির সবগুলো স্লিপার ভেঙ্গে সম্পূর্ণভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মেরামোতের কোন পদক্ষেপ না নিলে স্থানীয়রা নিজেদের চলাচলের জন্য ব্রীজটির উপর গাছের টুকরা দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করলেও যে কোন সময় দুর্ঘটনার মূখে থাকতে হয় তাদের।
চরমোন্তাজ সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলে, ব্রীজটি পার হয়ে মাদ্রাসায় যেতে খুবই ভয় করে।

এখানে একটি নতুন ব্রীজ হলে আমাদের ভালো হতো। ওই এলাকার মোঃ বাহাদুর প্যাদার সাথে কথা বললে তিনি জানান, ব্রীজটি স্লিপার না থাকায় যানবাহন পারাপাড়তো দূরের কথা কোন মতে গাছ দিয়ে আমরা চলাচল করি। বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও রোগীদের দূর্ভোগের শেষ থাকে না। কৃষকরা সময়মতো তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খালিদ বিন ওয়ালিদ তালুকদার জানান,ভাঙ্গা ব্রীজের পরিবর্তে এলাকার লোকজনের যোগযোগের সুবিধার্থে অতিশ্রীঘ্রই একটি নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।
 উপজেলা  প্রকৌশলী মোঃ সুলতান হোসেন জানান, এব্যাপারে  পদক্ষেপ  গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।